বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ০৭:০২ পূর্বাহ্ন

শিরোনামঃ
জুলাই স্মরণে জামায়াতের ৩৬ দিনের কর্মসূচি অনলাইন বেটিংয়ে ৭ বছর জেল, ৫ কোটি টাকা জরিমানা হাসিনার বক্তব্য প্রচার করা নিষেধ, গণমাধ্যমকে আদালতের নির্দেশনা মানতে হবে : তথ্য উপদেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বাজেট পরবর্তী নৈশভোজ বাতিল ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ

বাংলাদেশে এ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১.৬ শতাংশ: বিশ্বব্যাংক

অর্থনীতি ডেস্ক, নগরকন্ঠ.কম : করোনা পরিস্থিতির কারণে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি ১ দশমিক ৬ শতাংশ হতে পারে। পরের অর্থবছরে (২০২১-২০২২) প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশে উন্নীত হতে পারে।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্বব্যাংক থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর করা সংস্থাটির হালনাগাদ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় করোনাভাইরাস মহামারির প্রভাব অব্যাহত থাকায় এ অঞ্চল মন্দায় ডুবে আছে। লাখ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। কমে এসেছে কর্মসংস্থানের সুযোগ। করোনার প্রভাব বাংলাদেশে পড়লেও প্রবৃদ্ধি অর্জনে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে থাকছে বাংলাদেশ। করোনার প্রভাবে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি ১ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। অন্যদিকে, পাকিস্তানের প্রবৃদ্ধি হবে ০ দশমিক ৫ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় আছে ভারত। তাদের প্রবৃদ্ধি হবে মাইনাস ৯ দশমিক ৬ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো অবস্থানে থাকতে পারে মালদ্বীপ। চলতি অর্থবছরে তাদের জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৯ দশমিক ৫ শতাংশ, যা তার পরের বছর আরও বেড়ে ১২ দশমিক ৫ শতাংশ হতে পারে। চলতি অর্থবছর আফগানিস্তানের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ২ দশমিক ৫ শতাংশ, তার পরের অর্থবছর ৩ দশমিক ৩ শতাংশ। চলতি অর্থবছরে ভুটানের প্রবৃদ্ধি হতে পারে ১ দশমিক ৮ শতাংশ, তার পরের অর্থবছরে তা হবে ২ শতাংশ। শ্রীলঙ্কার প্রবৃদ্ধি এ অর্থবছরে হতে পারে ৩ দশমিক ৩ শতাংশ।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, করোনার প্রভাবে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ কমবে। উৎপাদন ও নির্মাণ খাতে মজুরি কমবে। ফলে বেসরকারি ভোগব্যয় কমতে পারে। তৈরি পোশাকের চাহিদা তৈরি হবে কি না তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। এসব কারণে বিনিয়োগ ও রপ্তানিতে চরম বিপত্তি দেখা দিতে পারে। সম্প্রতি রেমিট্যান্স বাড়লেও তা সাময়িক মনে করছে বিশ্বব্যাংক।

করোনা সংক্রমণের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং অনানুষ্ঠানিক খাত সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষ দারিদ্র্যের কবলে পড়তে যাচ্ছে এবং এ অঞ্চলে করোনার প্রভাব দীর্ঘায়িত হতে পারে।

উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮ শমিক ২ শতাংশ হবে বলে বাংলাদেশের প্রত্যাশা। সম্প্রতি এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এশিয়ার অর্থনীতি নিয়ে সর্বশেষ প্রতিবেদনে বাংলাদেশে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস দিয়েছে।

নগরকন্ঠ.কম/এআর

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com